ত্রান সহযোগীতা চাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকী দিলেন আলাউদ্দিন মেম্বার

(বিশেষ প্রতিনিধি) : ফতুল্লায় অসহায় গরীবদের জন্য ত্রাণ সহযোগীতা চাইতে গিয়ে বৃদ্ধ মহিলাকে লাঞ্ছিত সহ স্থানীয় বাসিন্দাকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মেম্বার আলাউদ্দিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের উর্চাপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা ফেরদৌস আলম মিঠু। তবে এ অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার আলাউদ্দিন হাওলাদার।

অভিযোগ উঠেছে, করোনায় অসহায় হয়ে পড়া এক বয়ষ্ক মহিলা ত্রান চাইতে গিয়ে মেম্বার আলাউদ্দিন হাওলাদারের কাছে লঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা রয়েছে ত্রান সবার ঘরে ঘরে গিয়ে পৌছে দেয়ার। সেখানে ওই মেম্বার উক্ত এলাকায় ত্রান চাইতে আশা মানুষের সাথে করেছেন দূর্ব্যবহার। এ ঘটনায় উক্ত এলাকার মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ নেতা ফেরদৌস আলম মিঠু ত্রাণ সহযোগীতার কথা বললে তার উপরও চাড়াও হয়ে মেম্বার প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে মিঠু আরো অভিযোগ করে বলেন, আমি অসহায় গরীব দু:খিদের জন্য সরকারি ত্রান সহযোগীতা চাই। তিনি আমাকে জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বলেন। উনার কথা মত জমাও দেই। কিন্তু ১৫ দিন পেরিয়ে গেলে ত্রান না পেয়ে একজন বয়ষ্ক মহিলা মেম্বারের কাছে গেলে উনি তার সাথে অশোভন আচরণ করেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে আমি নিরাপত্তাহীণতায় ভোগছি। তাই আমি আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, মাননীয় সংসদ সদস্য একে এম শামীম ওসমান স্যার এবং মাননীয় প্রদানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার চাই।

সম্মেলনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় মুরুব্বি জিতেন বড়ুয়া, সেলিম ও বাশার।

এ বিষয়ে জানতে প্রতিবেদকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার আলাউদ্দিন হাওলাদার বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। এ পর্যন্ত আমার কাছে আজ পর্যন্ত ৪৪০ প্যাকেট এসেছে। ত্রিশ হাজার প্যাকেট হলে বলতে পারতাম সবাই পেয়েছে। কান মহিলা বলেছে জানিনা। কত মহিলাই তো পায় নাই। সরকারী নিয়ম আছে, তার বাহিরে দিতে পারি না। আমি সরকারী প্রতিনিধি নিয়ম অনুসারে দিতে হয়। আর যে প্রাণনাশের অভিযোগ করেছে সে আমার ক্লাসের, না এলাকার , না কিছু।

উল্লেখ্য, এরআগে মধ্যযুগীয় কায়দায় দুই যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। এ ঘটনায় আলাউদ্দিন হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছিল ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পরে আদালতে আবদেন করলে জামিনে মুক্তি লাভ করেন তিনি।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment