অবশেষে করোনামুক্ত হলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

নারায়ণগঞ্জ নিউজ ২৪ ডট কম: অবশেষে করোনামুক্ত হলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এন্টিজেন কিট দিয়ে পরীক্ষা করার পর তার শরীরে কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিট প্রকল্পের প্রধান এবং গবেষক ড. বিজন কুমার শীল আজ শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি কিট দিয়ে আমি নিজে ডা. জাফরুল্লাহর টেস্ট করেছি। এতে যে রেজাল্ট পাওয়া গেছে তাতে নিশ্চিত করে বলা যায়, তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।

ড. বিজন বলেন, পরীক্ষায় দেখা গেছে, তার শরীরে যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সুতরাং তাকে এখন সুস্থ বলা যায়।

তিনি জানান, এই পরীক্ষা গতকালই করা হয়েছে। কিন্তু তিনি যে করোনামুক্ত হয়েছেন সেটা তাকে জানানো হয়নি। কারণ করোনামুক্ত হলেও তার কিডনির সমস্যা এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তার ওপর দিয়ে যে ধকল গেছে, তাতে আরো অন্তত পাঁচ দিন তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে। অবশ্য তিনি আর হাসপাতালে থাকতে চাইছেন না। আর সে কারণেই গতকাল তাকে জানানো হয়নি।

এদিকে, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার জানিয়েছেন, পরীক্ষায় দেখে গেছে, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আজ (শনিবার) সারাদিন তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়েছেন। বাইরের অক্সিজেন ছাড়াই তিনি আজ প্রায় সারাদিন অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫% রাখতে পেরেছেন।

গত ২৫ মে নিজেদের উদ্ভাবিত কিটে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পিসিআর টেস্ট করালেও একই রেজাল্ট আসে। গত ২৬ মে তিনি প্রথম প্লাজমা থেরাপি নেন। এরপর আরো দুইবার তিনি প্লাজমা থেরাপি নেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফিজ ও অধ্যাপক ডা. নজীবের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। তার স্ত্রী শিরীন হক ও ছেলে বারিশ চৌধুরীরও করোনাভারাসে আক্রান্ত।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment