কুতুবপুরে বিএনপি আছে আওয়ামীলীগ নেই-আলাউদ্দিন হাওলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক :সারাদেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, কিন্তু কুতুবপুরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই।আগে আওয়ামী লীগের অনেকেই আমার কাছে অনেক কথা বলতেন। এখন মনে হয় তারা সব ভুলে গেছেন। সবাই বলে, সারাদেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, কিন্তু কুতুবপুরে বিএনপি ক্ষমতায়।কুতুবপুরে আওয়ামী ক্ষমতায় নেই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেক মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দিয়েছেন। আমার ৫ নং ওয়ার্ডেও আড়াই হাজার বা তিন হাজার লোক এই টাকা পেয়েছেন। কিন্তু একটা টাকাও আওয়ামী লীগের কোনো কর্মী পায় নাই। আমি চেয়ারম্যানকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলাম কিন্তু তিনি কোন উত্তর না এড়িয়ে গেছেন।আর তাই আজ আমিও বলি, কুতুবপুরে আওয়ামী ক্ষমতায় নেই।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কুতুবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের ব্যানারে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কতুবপুর ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার এসব কথা বলেন। ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ’ শীর্ষক এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন আলাউদ্দিন হাওলাদার। বক্তব্যে তিনি গত শনিবারের মানববন্ধন সম্পর্কেও কথা বলেন। কবরস্থানে কোনো মার্কেট নয়, বরং নয়টি দোকান হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন,”সেদিনের মানব বন্ধনে সবচেয়ে বেশি লোক ছিলো চেয়ারম্যানের, সবচেয়ে বেশি লোক বিএনপির। আমার ভাইয়েরা, কথা তো অনেক কইতে পারি না।এইখানে শহীদুল্লাহ সাহেব, কুতুবপুরে বিএনপির সভাপতি হাজী শহীদুল্লাহ এখানে উপস্থিত ছিল। যেই তারেক যুবদলের সদস্য, যে তারেক গাড়ি ভাঙছে, আমার নেত্রীর বিরুদ্ধে, সেই তারেক মাইক ধইরা বক্তব্য রাখছে…আমারও আসলে বয়স হইয়া গেছেগা। আমি যদি জোয়ান থাকতাম, তাইলে ধইরা আইনা পিটাইতাম।বক্তব্যে তিনি গত শনিবারের মানববন্ধন সম্পর্কেও কথা বলেন। কবরস্থানে কোনো মার্কেট নয়, বরং নয়টি দোকান হবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া তিনি মানববন্ধনে প্রদর্শিত মাথার খুলি, হাড়গোড় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আলাউদ্দিন। এসব খুলি, হাড়গোড় কোথা থেকে আনা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন,পাগলা শাহি মহল্লা কবরস্থান ও মসজিদের নিচ তলায় তিনটি দোকান ঘর চেয়ে না পেয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মুন্সি ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর হোসেন মিরু তাদের বাহিনীর লোকজন নিয়ে শনিবার মসজিদের নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয় বলে ও তিনি অভিযোগ করেন।

প্রতিবাদ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সদস্য এম ও এফ খোকন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক লীগের দপ্তর সম্পাদক হুমায়ন কবির, স্থানীয় ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা: বিএম আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা লিটন হাওলাদার, যুবলীগ নেতা সেলিম রেজা প্রমুখ।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment