স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্ম বিরতি অব্যাহত – সেবা বঞ্চিত হাজারো শিশু কিশোরী

জাহাঙ্গীর হোসেনঃ বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী মোট ১৬টি টিকাদান কেন্দ্রের সকল ধরনের শিশুদের সেবা ও মাতৃসেবা বন্ধ করে সদর উপজেলা টিকা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে অবস্থান করে কর্মবিরতি পালন করছে স্বাস্থ্য সহকারিরা। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হয় এ কর্মবিরতি। এদিকে ভোগান্তিতে পড়েছে সেবা প্রত্যাশী মা ও শিশুরা। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকার স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৬টি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসহকারিরা সকল ধরনের শিশুদের সেবা ও মাতৃসেবা দিয়ে আসছিল। এসব টিকাদান কেন্দ্রে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারিরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার। বিভিন্ন সময়ে তাদের বেতন বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দিলেও বৈষম্য নিরসন হয়নি। স্বাস্থ্য সহকারিরা বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেছে এবং এটি অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্যসহকারির কর্মবিরতিতে সেবা প্রত্যাশী শিশু, কিশোরী ও মায়েরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিসট্যান্ট এসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা সভাপতি মিরাজুল করিম জানান, ১৯৯৮ সালে প্রধান শেখ হাসিনা স্বাস্থ্যসহকারিদের মহাসমাবেশে বেতন বৈষম্য নিরসনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৮ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়ে বেতন বৈষম্য নিরসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেন। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারী স্বাস্থ্যমন্ত্রীর লিখিত প্রতিশ্রুতির পরও আমাদের বেতন বৈষম্য নিরসনের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই আমরা বাধ্য হয়ে কর্মবিরতি পালন করছি। এসময় আরো সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় দাবী বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব ওয়াসি রানা, কেন্দ্রীয় দাবী বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য উম্মে সালমা, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (সদর) এমদাদ হোসেন সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ, স্বাস্থ্য সহকারী পরিদর্শক (সদর) ইসমাইল হোসেন, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন প্রমূখ।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment