ফতুল্লায় সস্তাপুরে ইজিবাইক চোর চক্র সক্রিয়!

নারায়ণগন্জ নিউজ ২৪ ডট কমঃ ফতুল্লা থানা সীমান্তের সস্তাপুর কাস্টমের মোড় এলাকায় ইজিবাইক চোরের একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সোর্স পরিচয় বহন করে নগদ অর্থের সুবিধা গ্রহন করে এ চক্রকে দীর্ঘদিন ধরে সহোযোগিতা করে আশরাফুল ইসলাম মোটা অঙ্কের বানিজ্য করে চলেছে। প্রায় ৬/৭ মাস ধরে এ বানিজ্য চলছে।

একাধীক সুত্র জানান, কয়েক বছর আগে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজের কাছে চালককে জবাই করে সিএনজি ছিনতাইয়ের সেই আলোচিত ঘটনার আসামী শাহিন ফতুল্লার সস্তাপুর এখন ইজিবাইক চোর চক্রের ঘাটি করেছে। রাজধানী ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জের ভিবিন্ন স্থান থেকে সংঘবদ্ধ চোরদের দিয়ে ইজিবাইক চুরি করে সস্তাপুরে নিয়ে আসে।

সূত্রটি জানান, এ চক্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ সোর্স পরিচয়দানকারী আশরাফুল জরিত রয়েছে। কখন কয়টা ইজিবাইক চুরি করা হয় তার হিসেব রাখেন আশরাফুল। আর চোরাই ইজিবাইক গুলো রাখা হয় সস্তাপুর কাস্টমের মোড় সংলগ্ন শফিক ও মন্টুর ইজিবাইক গ্যারেজে। তারা দুটি গ্যারেজে প্রতিরাতের জন্য প্রতিটি ইজিবাইক থেকে ৫০০টাকা করে রাখেন। আর চোরাই ইজিবাইকের তদারকি করেন মন্টুর গ্যারেজের মিস্ত্রী রুহুল।

এলাকাবাসী জানান, চোর সম্রাট শাহীন দুর থেকে চোরাই ইজিবাকের নিয়ন্ত্রন করে থাকে। কোন জামেলা হলেই শাহিন তাবলিক জামাতে চলে যায়। বর্তমানে সে ফরিদপুরের দিকে তাবলিক জামাতে রয়েছে। এরমধ্যে ভাগ না পেয়ে পুলিশ নিয়ে শফিক ও মন্টুর ইজিবাইক গ্যারেজে হানা দিয়েছে।

এসময় মন্টুর গ্যারেজের মিস্ত্রী রুহুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুলিশকে চুরির বিষয় গুরুত্বপূর্ন অনেক তথ্যা দিয়েছে। তবে রুহুলকে পুলিশ গ্রেফতার না করলেও যেকোন সময় ডাকবে বলে স্থানীয় লোকজনের জিম্মায় রেখেগেছেন। পুলিশের এমন তৎপরতায় এলাকাবাসীর মাঝে চোর চক্র নিয়ে নানা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এলাকাবাসীর দাবী চোর সম্রাট শাহীন ও তার সহযোগী রহুল, মন্টু, শফিক ও সোর্স আশরাফুলকে দ্রুত গ্রেফতার দাবী জানিয়েছেন।

ইজিবাইক চালকরা বলেন, অনেক কষ্ট করে ঋন নিয়ে সহায় সম্ভল বিক্রি করে একটি ইজিবাইক কেনা হয়। এ ইজিবাইকের আয় দিয়ে স্ত্রী সন্তানের ভরন পোষন করা হয়। আর সেই আয় রোজগারের পথ বন্ধ করে দেয় ইজিবাইক চোর চক্র। এদের কঠিন বিচার দাবী জানান ইজিবাইক চালকরা।

Please follow and like us:

Related posts

Leave a Comment